মালদা

সাম্প্রদায়িক ডাঙ্গা ভুলে হিন্দু মুসলমানের মিল বন্ধন

জেলার সমস্ত নদীর জল বাড়ায় প্লাবিত হয়েছে বহু গ্রাম। ফলে বানভাসি কয়েক লক্ষ মানুষ। হাহাকার আছে ত্রানের।সরকারী থেকে বেসরকারী প্রতিষ্ঠান খুলেছে ত্রান শিবির। পিছিয়ে নেই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলিও। তাঁর মধ্যে নজির ‘সম্প্রীতি ত্রান শিবির’। এই শিবিরের রান্না ঘর সামালাচ্ছেন সিরাজ, মুজিবর, ডালু, সামাউল সহ আরো অনেকেই। কেবল সামাচ্ছেন না। রীতি মতো হাতা, খুন্তি দিয়ে রান্না করছেন বানভাসিদের জন্য। আর তাদের তৈরী রান্না করা খাবার খাচ্ছেন উদয়, অসীম,শঙ্কররা। ইংরেজবাজার শহরে এমনই এক ‘সম্প্রীতির ত্রান শিবিরের’ ছবি আমাদের ক্যামেরায়। মুজিবর থেকে ডালু প্রত্যেকের গলায় সম্প্রীতির বার্তা। যারা বানভাসি তারা কোন বর্ণ বা রঙের নয়। তারা কেবল বানভাসি। আজ শনিবার হিন্দু শাস্ত্র মতে অনেকেই এই দিনটিতে নিরামিষ খাবার খান। তাই খাবার তৈরি করা হয়েছে পিঁয়াজ রসুন ছাড়ায়। কারণ, বানভাসিদের জন্য খাবার নিয়ে গিয়ে সেই খাবার আবার ফেরত যেন না আনতে হয়। তাই ত্রান শিবিরের মেনুও হিন্দু শাস্ত্র মতে নিরামিষ।  

            ঠিক সেই সময় আর এক ত্রান শিবির ইংরেজবাজার পুরসভার। সেখানে ভাইস চেয়ারম্যনকে দেখা গেলো বানভাসি কয়েক হাজার সংখ্যালঘু মানুষদের জন্য রান্না করতে। আর যারা এই খাবার নিচ্ছেন তারাও এমন ভাই দাদাদের কাছ থেকে পাওয়া খাবারে খুশি। এই পশ্চিমবাংলা যে সম্প্রীতির পীঠস্থান এমন ঘটনা সেটাই প্রমান করে। বন্যায় ঘর ভাঙলেও ভাঙতে পারেনা এমন মিলন। তারই দৃষ্টান্ত পাওয়া গেল আজ।